গজারিয়া উপজেলার রঘুরচর গ্রামে সামান্য বৃষ্টিতেই গ্রাম জুড়ে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়। এতে স্বাভাবিক জীবন যাপন চরমভাবে বিঘ্নিত হয়। অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হন তিন সহস্রাধিক গ্রামবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবী, গ্রামটির পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশ সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় ও গ্রামটির পূর্ব প্রান্তে হোসেন্দী বাজারের অবস্হান হওয়ার বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টির পানি অপসারণের কোন কার্যকর ব্যবস্হা না থাকায়। গ্রাম জুড়ে ওই মৌসুমে জলাবদ্ধতা তৈরী হয়।
এ সময়টায় গ্রামের নারী-শিশুসহ সবাইকে নিজের বসতঘর থেকে বের হলেই জলাবদ্ধতা অতিক্রম করে কোথাও যেতে হয়। এতে করে গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। গ্রামের বাসিন্দা মমিন ব্যাপারী,আবু খায়ের ও শাহ আলম ব্যাপারীসহ কয়েক জনের সাথে কথা আজগত শনিবারতাদের দাবী,” গ্রামের কোন প্রান্ত দিয়েই বৃষ্টির পানি অপসারণের সুযোগ না থাকায়, বিশেষ করে বর্ষা সিজনে বৃষ্টির দিনে ৪/৬ মাস জলাবদ্ধতার কারণে গ্রামের বাসিন্দাদের ভোগান্তির অন্ত থাকে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গজারিয়ায় উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের একটি গ্রাম রঘুরচর। প্রমত্তা মেঘনার বুকে জেগে ওঠা অর্ধ শত বছর পুরোনো চরটিতে মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে একাধিক শিল্প কারখানা সাথে জনবসতি। কিন্তু তিন দিকে শিল্প কারখানা ও পূর্বদিকে হোসেন্দী বাজারের অবস্হানের কারণে মধ্য স্হানের রঘুরচরবাসী গ্রামটিতে জলাবদ্বতা কারণে রয়েছেন, বিরম্ভনায়, বছরের পর বছর বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবন-যাপন।
হোসেন্দী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন মোল্লার সাথে কথা জন্য, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। গ্রামটির বাসিন্দা, গজারিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নাদিম মাহমুদ অপু বলেন,” মানুষের সৃষ্ট দুর্যোগ থেকে,গ্রামবাসীদের পরিত্রাণের জন্য কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহনের দাবী জানাই, উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি।



