কুমিল্লার তিতাসে পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুড়িকে মেরে পানিতে ফেলে পালিয়ে যায় জামাতা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের শিবপুর উত্তর পাড়া নুরুল হক মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুফিয়া খাতুন (৭৫) ওই গ্রামের মৃত আব্দুল সামাদ সিকদারের মেয়ে ও বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর গ্রাসের মৃত মনু মিয়ার স্ত্রী।
সুফিয়া খাতুনের স্বামীর মৃত্যুর পর বাপের নিজ ভিটায় বসবাস করেন এবং মেয়ে রহিমা বেগমকে ছোট ভাই দিলু সিকদারের ছেলে জামাল সিকদারের সঙ্গে বিয়ে দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে জামাল সিকদার তার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মারিয়াকে সাবল দিয়ে মারধর করে আহত করেন।
এ সময় শাশুড়ি তাকে শাসন করে লাঠি দিয়ে দু’টি বারি মারেন ও বকা-ঝকা করেন।
এদিকে আহত মারিয়াকে চিকিৎসার জন্য তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে এই ফাঁকে শ্বাশুড়ি সুফিয়া খাতুনকে বাড়িতে একা পেয়ে মারধর করে এবং টেনে বাড়ির পাশের ডোবায় ফেলে পানিতে চুবিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান।
স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সুফিয়া খাতুনকে পানি থেকে উদ্ধার করে এবং তিতাস থানা পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।



