চীনা পণ্যে আরোপিত ১০০ শতাংশ শুল্ক টেকসই নয় বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি বলেছেন, বেইজিংয়ের আচরণই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।
শুক্রবার ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “এটা টেকসই নয়, কিন্তু সংখ্যাটা সেটাই। ওরাই (চীন) আমাকে এটা করতে বাধ্য করেছে।”
বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্য আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়, যখন চীন দুর্লভ খনিজ রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপ করে। এর জবাবে ট্রাম্প চীনা পণ্যে অতিরিক্ত ১০০ শতাংশ শুল্ক এবং সংবেদনশীল সফটওয়ার রপ্তানিতে নতুন বিধিনিষেধের ঘোষণা দেন।
ওয়াশিংটনের দাবি, চীনের এই রপ্তানি সীমাবদ্ধতা বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা খাতের জন্য হুমকি। কারণ দুর্লভ খনিজের বাজারে চীনের একচেটিয়া প্রভাব রয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র–চীন সম্পর্কের এই টানাপোড়েনের মধ্যেই ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষ দিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার বৈঠক হবে। তিনি বলেন, “চীনের সঙ্গে আমাদের ভালো কিছু হতে যাচ্ছে বলেই আমার ধারণা, তবে চুক্তিটা হতে হবে ন্যায্য।”
চীন নিয়ে ট্রাম্পের এই নরম মনোভাবের ইঙ্গিতে মার্কিন শেয়ারবাজারে ফের ইতিবাচক ধারা ফিরে এসেছে। অন্যদিকে, দুই দেশের বাণিজ্য উত্তেজনা কমাতে উভয় পক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) প্রধান এনগোজি ওকোঞ্জো ইওয়েলা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এই বাণিজ্য দ্বন্দ্ব যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উৎপাদন সাত শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।



