টি এস এলিয়ট আধুনিক কাব্যচিন্তায় যে গম্ভীর ও বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা করেন, তা তার রচনাশৈলীতে যেমন প্রতিফলিত হয়েছে, তেমনি তার সাহিত্যতত্ত্বেও। ‘Four Quartets’ কাব্যগ্রন্থে এলিয়ট যে আধ্যাত্মিক ও মিথ-চিন্তার সম্মিলন ঘটিয়েছেন
বুবুন নদীর পাড়ে সকাল থেকে দাঁড়িয়ে আছে তো দাঁড়িয়েই আছে। বেলা ক্রমান্বয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে এখন দুপুর হয়েছে। একটু আগে খোজারখলা মসজিদের মাইক থেকে আজানও শোনা গেছে। বুবুনের কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। সে ওপারে গোদারাঘাটের দিকে চেয়ে আছে তো চেয়ে আছে।
১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ২৭ নম্বর রোডে বেঙ্গল শিল্পালয়ে গিয়েছিলাম ছেলেসহ সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের স্মরণ সভায়। বক্তার সংখ্যা ছিলেন সীমিত। সেদিন সন্ধ্যায় বক্তারা তাঁর নানা দিক তুলেছেন। সবগুলো আকর্ষনীয় দিক। পত্রপত্রিকায় তার ওপর দুটি লেখাও পড়েছি। ফেরার পথে ভাবলাম, তাকে নিয়ে সামান্য হলেও কিছু তো লিখতে হয়।
শিল্প যখন জীবনের বোধকে ভাষার গভীর দ্যোতনা, অলঙ্কার ও বর্ণনার মাধুর্যে কাহিনিকে দার্শনিক জ্ঞানে ঋদ্ধ করে চিত্তকে থমকে দেয়, সেখানেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পরিচয় মেলে। বাংলা উপন্যাসে আধুনিকতা, মনস্তত্ত্ব এবং সমাজ-রাজনীতির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে যে ক’জন লেখক সাহিত্যচর্চাকে গভীরতর ও নান্দনিক উচ্চতার উৎকর্ষে
কবি নাসির আহমেদের কাব্যগ্রন্থ “বৃক্ষমঙ্গল” আধুনিক বাংলা কবিতার জগতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে মোট ষাটটি কবিতা রয়েছে, এর মধ্যে চব্বিশটি বৃক্ষমঙ্গল সিরিজের, যা ক্রমিক সংখ্যা করে প্রকাশিত হয়েছে।
সিকদার আমিনুল হককে বিবেচনা করা হয় ষাটের দশকের কবি হিসেবে। এই দশকে বাংলা সাহিত্যে বেশ কয়েকজন মেধাবী কবির আবির্ভাব হয়েছে। যেমন: আব্দুল মান্নান সৈয়দ, নির্মলেন্দু গুণ,আবুল হাসান