জানুয়ারি ২০২৫-এর ২১ তারিখ একটা ফোন এলো লেখক জিয়া হাশানের। কোনো খবর জানেন? না, কার? সুমন ভাইয়ের? না, কি খবর? জিয়া হাশান বললেন অনেকে লিখতেছে মহাপ্রস্থান। কী?
‘প্লাজা মেয়র’-এ এসে খুঁজলাম সবাইকে। এখানে জনসমুদ্রের মাঝে খুঁজে পেতে একটু সময় লাগল। দেখা হতেই নাবিল বলে উঠল, ‘প্লাসিও রিয়াল না দেখে তুমি অনেক কিছু মিস করেছ।’ বললাাম
মির্জা গালিব (১৭৯৭-১৮৬৯) কবিতার নদী, চিঠিপত্রের ঝরনা‘ প্রত্যেকটি শব্দ জলতরঙ্গের মতো প্রবাহিত। নদী যেমন তার ¯্রােতে বহন করে ইতিহাসের পলি, সভ্যতার স্মৃতি এবং মানবজীবনের চিহ্ন, গালিবের কবিতাও তেমনি বহন করে প্রেম, শূন্যতা, আত্মচিন্তা
গতকাল পিকাসোর ছবি ‘গোয়ের্নিকা’ দেখার পর থেকেই তা মনকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ছবিটির রেখা, রঙ ও অবয়বগুলি জটিল ও রহস্যময়‘ যেন এক বড় ধাঁধা। তার পুরো অর্থ বের না
কথাসাহিত্যিক হিসেবেই তাকে চিনি, এটাও জানি তিনি বিরলপ্রসূ নন, বরং বলা ভালো বিরলপ্রসূদের বিপরীত। বিরলপ্রসূ হলেই যে লেখা উন্নত হবে এমন কথা হলফ করে বলা যায় না। নোবেলজয়ী কথাসাহিত্যিকগণ অবশ্য বেশিরভাগই বিরলপ্রসূ
রাস্তার উপর গড়ে উঠেছে নতুন সব ভবন কিন্তু পুলিশ স্টেশনটা আজও আছে সেই পুরনো চুনকাম করা বাংলোটায়। দু’জন পুলিশ আংশিক ইউনিফর্মে, হাতে হাত ধরে ঘোরাফেরা করছে ঘাসের প্রাঙ্গণে।
মামা, মামা বিশ্বাস করেন পিস্তল মামা ছাড়া কেউ আপনার জমিন বাইর করতে পারবো না। আপন বোনের বড় পুত তুই। সৌদিতে থাকি। হজ-ওমরাহ্ করেছি। পাঞ্জেগানা নামাজ আদায় করি। প্রতি ওয়াক্তে গুনাহের জন্য আল্লাহ কাছে ক্ষমা চাই। লম্বা না