সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫-২০১৬) বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক। বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় তাঁর সাবলীল ও সফল বিচরণের জন্য তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। এক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বুদ্ধদেব বসুর পরে তিনিই সবচেয়ে শক্তিমান লেখক।
নাটক শিল্পের আদি শাখা এবং সমাজ ও সময়ের প্রতিচিত্র। মুনীর চৌধুরী বাংলা নাট্যধারায় এক অনিবার্য নাম। তাঁর জীবনবোধ ও লেখনিশক্তি সমকালীন পাকিস্তানি রাষ্ট্রব্যবস্থার অত্যাচার, ভাষানীতি, শোষণ এবং মুক্তির আকাক্সক্ষাকে নাটকীয়
বুবুন নদীর পাড়ে সকাল থেকে দাঁড়িয়ে আছে তো দাঁড়িয়েই আছে। বেলা ক্রমান্বয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে এখন দুপুর হয়েছে। একটু আগে খোজারখলা মসজিদের মাইক থেকে আজানও শোনা গেছে। বুবুনের কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। সে ওপারে গোদারাঘাটের দিকে চেয়ে আছে তো চেয়ে আছে।
১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ২৭ নম্বর রোডে বেঙ্গল শিল্পালয়ে গিয়েছিলাম ছেলেসহ সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের স্মরণ সভায়। বক্তার সংখ্যা ছিলেন সীমিত। সেদিন সন্ধ্যায় বক্তারা তাঁর নানা দিক তুলেছেন। সবগুলো আকর্ষনীয় দিক। পত্রপত্রিকায় তার ওপর দুটি লেখাও পড়েছি। ফেরার পথে ভাবলাম, তাকে নিয়ে সামান্য হলেও কিছু তো লিখতে হয়।
শিল্প যখন জীবনের বোধকে ভাষার গভীর দ্যোতনা, অলঙ্কার ও বর্ণনার মাধুর্যে কাহিনিকে দার্শনিক জ্ঞানে ঋদ্ধ করে চিত্তকে থমকে দেয়, সেখানেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পরিচয় মেলে। বাংলা উপন্যাসে আধুনিকতা, মনস্তত্ত্ব এবং সমাজ-রাজনীতির সংমিশ্রণ ঘটিয়ে যে ক’জন লেখক সাহিত্যচর্চাকে গভীরতর ও নান্দনিক উচ্চতার উৎকর্ষে
কবি নাসির আহমেদের কাব্যগ্রন্থ “বৃক্ষমঙ্গল” আধুনিক বাংলা কবিতার জগতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে মোট ষাটটি কবিতা রয়েছে, এর মধ্যে চব্বিশটি বৃক্ষমঙ্গল সিরিজের, যা ক্রমিক সংখ্যা করে প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলা কবিতা যখন ঔপনিবেশিক আধুনিকতার রৈখিক বয়ান থেকে বেরিয়ে এসে অস্তিত্বের গভীরতর রক্ত¯্রােত, মানসিক ছায়া ও সামাজিক-বৈকল্যের উপগাথা নির্মাণ করতে শুরু করল, তখন
সিকদার আমিনুল হককে বিবেচনা করা হয় ষাটের দশকের কবি হিসেবে। এই দশকে বাংলা সাহিত্যে বেশ কয়েকজন মেধাবী কবির আবির্ভাব হয়েছে। যেমন: আব্দুল মান্নান সৈয়দ, নির্মলেন্দু গুণ,আবুল হাসান