পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের মধ্যে বৈচিত্র্য ও বিভাম-িত সাংস্কৃতিক আদলটি চোখের দেখায় ও মনের আলোয় সবচেয়ে ভালো অনুধাবন করা যায় তাদের লোকায়ত বা ঐতিহ্যবাহী উৎসব বা পার্বণগুলোতে। এ যেমন জাতিগতভাবে আলাদা-আলাদাভাবে
সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সংজ্ঞার মাঝে একটাকে বেছে নেওয়া বেশ কঠিন। প্রতিটা সংজ্ঞাতেই চিন্তার ঐক্য ও ভিন্নতা- দুই-ই রয়েছে। বিভিন্ন মতের একটি সংশ্লেষ নির্মাণ করে বলা যায় যে, সংস্কৃতি
‘সত্যকে আংশিকভাবে দেখিলে অনেক সময়ে তাহা মিথ্যার রূপান্তর ধারণ করে।’ আবার এও তো সত্য যে সত্যকে সবসময় সর্বতোভাবে দেখা বা উপলব্ধি করা যায় না। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতির
মধ্যবিত্তই তো সংবাদপত্রের পাঠক এবং সংবাদপত্র মধ্যবিত্তের রুচিকে লালন-পালন করে, এমনকি গঠনেও সাহায্য করে, আবার অল্পস্বল্প হলেও সেই রুচির ডাকে সাড়া দেয়। ১৯৫১-তে ‘সংবাদ’ যখন
পুরনো ঢাকার প্রায় শতাব্দীপ্রচীন একটি দোতলা বাড়ির কথা আমার স্মৃতিতে অম্লান হয়ে আছে। পুরনো ঢাকার দিকে গেলে বাড়িটি দেখতে ইচ্ছে হয়, মনে হয় চলে যাই সেখানে, দেখতে চাই কেমন আছে বাড়িটি। তারপরেই ভুল ভেঙে যায়। ওটা তো আর নেই, ধ্বংস হয়েছে অনেক আগে।