কানিজ খন্দকার মিতু শিক্ষকতার পাশাপাশি গানের সাথেও জড়িত। শিক্ষকতা পেশার গুরু দায়িত্ব পালন শেষে যেটুকু সময় তিনি পান তার পুরোটাই তিনি গানেই দেয়ার চেষ্টা করেন। মিতু এরইমধ্যে গানের ভুবনে পথচলার স্বীকৃতি স্বরূপ ‘বারী সিদ্দিকী স্মৃতি পরিষদ’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। দু’দিন আগেই রাজধানীর কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে তিনি এই সম্মানায় ভূষিত হন। এই প্রজন্মের একজন শ্রোতাপ্রিয় লোক সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে মিতু এই সম্মাননায় ভূষিত হন। মিতু বলেন,‘ শ্রদ্ধেয় বারী সিদ্দিকী সম্মাননা ২০২৫-এ মনোনীত হওয়ার খবরটি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। সুরের জাদুকর, বিশিষ্ট সুরকার, গীতিকার ও মায়াবী বংশীবাদক প্রয়াত শ্রদ্ধেয় বারী সিদ্দিকী মহোদয়ের ৭১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বারী সিদ্দিকী স্মৃতি পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত স্মৃতিচারণ ও গুণীজন সম্মাননায় আমাকে সম্মানিত করা হয়েছে। বাংলা লোকসংগীতের এই কিংবদন্তি শ্রদ্ধেয় বারী সিদ্দিকী মহোদয়ের স্মরণে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ ধন্যবাদ এই আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে। সঙ্গীতের পথে এগিয়ে যেতে আপনাদের সবার দোয়া ও ভালবাসা কামনা করছি। লোকসংগীত বাঁচুক, মাটির গান এগিয়ে যাক।’ এরইমধ্যে মিতু বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত গানের অনুষ্ঠান ‘শেকড়ের গান’ অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। এরইমধ্যে নাগরিক টিভির ‘বাংলা বাউল’ অনুষ্ঠানেও সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন মিতু।



