শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬
হোমখবরসারাদেশশেরপুরে ভারী বৃষ্টিতে মহাসড়ক হাটু পানি

শেরপুরে ভারী বৃষ্টিতে মহাসড়ক হাটু পানি

প্রতিনিধি, শেরপুর (বগুড়া)

সম্পর্কিত সংবাদ

বগুড়ার শেরপুরে টানা ভারী বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও মহাসড়কে হাটু পানিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। বিশেষ করে শেরপুর পৌর এলাকার শান্তিনগর, স্যানালপাড়া, জগন্নাথপাড়া, খন্দকারপাড়া, টাউনকলোনী, রঘোষপাড়া, দক্ষিনসাহাপাড়া, শাহবন্দেগী ইউনিয়নের খন্দকারটোলা, হামছায়াপুর, শেরুয়া বটতলা, ধড়মোকামসহউপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নেরনিম্নাঞ্চলও রাস্তাঘাট এবং বাসা বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। বুধবার ভোর রাত থেকে টানা বৃষ্টির ফলে ঢাকা বগুড়া মহাসড়কের হামছায়াপুর ও শেরুয়া বটতলা এলাকায় মহাসড়কে হাটু পানি জমে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করে।

এছাড়াও গ্রামীণ কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলোর বিভিন্ন অংশে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পানি সঠিকভাবে নিষ্কাশন হতে পারছে না।

ফলে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে শেরুয়া বটতলা ও ধড়মোকাম থেকে হাইওয়ে রোড প্রায় ২ ফুট পানিতে তলিয়ে যায় ফলে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। টানা বৃষ্টিতে শেরপুর বাসট্যান্ড কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদে পানি প্রবেশ করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পর্যাপ্ত ড্রেন না থাকা ও অপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। কিন্তু এবার টানা বৃষ্টিতে অনেক ঘরবাড়ির ভেতরে পানি ঢুকে পড়েছে। ফলে রান্নাবান্না থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কাজকর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

শাহবন্দেগী ইউনিয়নের হামছায়াপুর (খন্দকারপাড়া) ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলহাজ্ব নুরুল ইসলামের বাড়ির ভিতর হাটু পানি। ঘরের আসবাপত্র পানিতে তলিয়ে গেছে। একই চিত্র লক্ষ্য করা যায় শাহবন্দেগী ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বসতবাড়িতে। অনেকেই পাম্প দিয়ে পানি সেচ দিয়ে আসবাবপত্র রক্ষা করেছেন।

শাহবন্দেগী ইউনিয়নের প্রশাসক আব্দুল জব্বার বলেন পানি দ্রুত নিস্কাসনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েছি। শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আশিক খান বলেন, হঠাৎ করেই অতিরিক্ত বর্ষনের ফলে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

তাছাড়া আগের মত পানি নিস্কাসনের পর্যাপ্ত জায়গা না থাকা ও অপরিকল্পিত বাড়ি ঘড় নির্মানের ফলে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে। খুব দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

সম্প্রতি

আরও খবর