দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে এক শারীরিক প্রতিবন্ধীর বসতঘরে গভীর রাতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়-ক্ষতির কথা জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শাহজালাল (২৭) লেবুখালীর পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পরিবারের সঙ্গে বসবাস করলেও কিছুদিন আগে রাস্তার পাশে একটি নতুন ঘর নির্মাণ করেন।
শাহজালালের অভিযোগ, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে বারেকের নেতৃত্বে একদল লোক তার নতুন বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ঘরের বেড়া, আসবাবপত্র, চাল, মরিচ, হলুদসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এতে প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয় বলে তিনি দাবি করেন। শাহজালাল বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ। অনেক কষ্ট করে নতুন ঘর তুলেছি। কিন্তু কিছুদিন ধরে সেখানে থাকি না। এই সুযোগে সৌদি প্রবাসী বারেক দলবল নিয়ে রাতের আঁধারে আমার বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। ভুক্তভোগীর মা রাশিদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার শ্বশুরের কাছ থেকে বারেক স্থানীয় মাপের ১০ কড়া জমি সাফ কবলা দলিল নিয়েছে বলে শুনেছিলাম। তখন আমরা রাস্তার পাশের ওই জমিতে ছেলের বসতবাড়ি তোলার জন্য জায়গা দিই এবং বারেককে অন্য জায়গায় ১০ কড়া জমি ভোগের জন্য দিই। কিন্তু পরে জানতে পারি, শ্বশুর আসলে বারেককে কোনো দলিল দেননি। বিদেশ থেকে ফিরলে বারেককে দলিল দেখাতে বললে সে ক্ষুব্ধ হয়ে রাতের আঁধারে এই হামলা চালায়।
তিনি আরও জানান, বারেক মাঝকোলা এলাকায় ১০ কড়া জমি দুই বছর ধরে ভোগদখল করছে। এখন সে দাবি করছে, তাকে ১৫ কড়া জমি দিতে হবে। ভাঙচুরের ঘটনা স্বীকার করে বারেকের শ্যালক শাহজাহান বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বসে দ্রুত মীমাংসা করা হবে। অভিযুক্ত বারেকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে দুমকি থানার ওসি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



