আবার বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের বাজার দর। গত ১০ দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম মন প্রতি বেড়েছে ৩শ থেকে ৪শ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন পুজার পর বাজারে সরবরাহ কিছুটা কমে যাওয়ার এমনটি হয়েছে। এদিকে পাইকারি বাজারে দর বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তা পযায়ে এর প্রভাব পড়েছে।
দুর্গা পূজার পরে কয়েক দিনের ব্যবধানে ২ হাজার টাকার পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রয় হচ্ছে ২২শ থেকে ২৬শ টাকা দরে। যা খুচরা বিক্রর হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি। পেঁয়াজের এই দর বৃদ্ধির কারণ হিসাবে ব্যবসায়ীরা বলছেন বাজারে চাহিদার অনুপাতে সরবরাহ করে কমে যাওয়া।
ফরিদপুরের কানাইপুরে নালারমোড় বাজারে পেঁয়াজ বেচতে আসা সালথার আটঘর ইউনিয়নের চয়ন শেখ। তিনি ১৭ মণ পেঁয়াজ নিয়ে বাজারে আসছিল, তিনি জানান, ২৫ শ টাকা দরে বিক্রি করতে পেরেছি পেঁয়াজ, এতে আমি খুশি। একই ভাবে জানালেন জাকির মোল্লা, আলামিন মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন।
বাজারে পেঁয়াজের বিক্রেতা বিল্লাল মাতব্বর জানান, কানাইপুরের নালার মোড়ে পেঁয়াজের বাজার খুবই নামকরা, প্রতি হাটে চাষীরা নিজেই পেঁয়াজ নিয়ে আসে বাজারে, দরদাম যাচাই করে তারা তাদের উপর একটি পণ্যটি বিক্রি করতে পারেন।
তিনি জানালেন এখানকার পেঁয়াজের চাহিদা দেশ জুড়েই রয়েছে, আমরা বিশেষ করে চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেটে পেঁয়াজ সরবরাহ করি। বর্তমানে বাজার দরে খুশি চাষীরা, বাজারদর এই হারে থাকলে লাভের মুখ দেখবে তারা।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ শাহদুজ্জামান জানান, পেঁয়াজ উৎপাদনে দ্বিতীর বৃহত্তর জেলা ফরিদপুর। মৌসুমে এ জেলায় আবাদ হয়েছিল ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে, যা থেকে উৎপাদন হয় ৬ লক্ষ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন। যদিও পেঁয়াজ তোলার মৌসুমের সময় চাষি পর্যায়ে এক হাজার থেকে ১৫শ টাকা মনপ্রতি দর পেয়ে ছিলো। এতে ক্ষুদ্ধ ছিলো পেঁয়াজ চাষীরা, পেঁয়াজ ?উৎপাদনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চাষী পযায়ে ২২ শ থেকে ২৫শ টাকার দর পেলে তারা লাভবান হয়।



