সোমবার, জানুয়ারি ১২, ২০২৬
হোমখবরসারাদেশচট্টগ্রামে যুবদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলি, নিহত ১ এবং আহত অন্তত ৮ জন

চট্টগ্রামে যুবদলের দুই গ্রুপের গোলাগুলি, নিহত ১ এবং আহত অন্তত ৮ জন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সম্পর্কিত সংবাদ

চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার,(২৮ অক্টোবর ২০২৫) রাত পৌনে ১টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ রোডের মদিনা আবাসিকের সামনে এক্সেস রোডে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮ জন।

নিহত যুবক ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। সংঘর্ষে নিহত মো. সাজ্জাদ (২২) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। নগরীর বাকলিয়ার তক্তারপুল এলাকার বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায়।

বাকলিয়া থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, ব্যানার লাগানো নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

পুলিশ সূত্র ও স্থানীয়দের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের দুই নেতা এমদাদুল হক বাদশা ও বোরহানের গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে এ সংঘাত হয়েছে। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে টানানো ব্যানার খুলে ফেলা নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত।

এদের মধ্যে এমদাদুল হক বাদশা চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগে গত জুলাইয়ে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

নিহত সাজ্জাদের বড় ভাই মো. ইমরান জানান, তাদের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং মেয়র শাহাদাতের সমর্থক। সাজ্জাদের পদ-পদবি না থাকলেও ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। নগরীর পাথরঘাটার একটি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাকলিয়া এলাকার ‘যুবদল নেতা’ বোরহান সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মেয়র শাহাদাতের ছবিসহ একটি ব্যানার টানান সৈয়দ শাহ রোডে।

রাতে বাদশা গ্রুপের নেতাকর্মীরা গিয়ে মেয়রের নির্দেশের কথা বলে সেটি নামিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। এসময় বোরহান ও তার লোকজন মিলে তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাদশা গ্রুপের কর্মীরা ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলেন। এতে উভয় গ্রুপের মধ্যে মারামারি ও গোলাগুলি শুরু হয়। এতে সাজ্জাদসহ ৮-১০ জন গুলিবিদ্ধ হন।

পুলিশ জানায়, আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। জরুরি বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক সাজ্জাদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরা হলেন- জুয়েল, সাব্বির, শরীফ, ইয়াসিন, একরাম, পারভেজ ও মারুফ। তাদের বাসা বাকলিয়ার বৌবাজার এলাকায়।

সম্প্রতি

আরও খবর