বুধবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
হোমখবরসারাদেশতাহিরপুরে সোনা মিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

তাহিরপুরে সোনা মিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধি, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ)

সম্পর্কিত সংবাদ

তাহিরপুর উপজেলায় ১৫০০ টাতা পাওনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বৃদ্ধ সোনা মিয়াকে প্রতিপক্ষের লোকজন র্কতৃক কুপিয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের একতা বাজারে সংবাদ সম্মেলনটি করেন নিহত সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুল হামিদ।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হামিদের লিখিত বক্তব্যে বলেন, উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের হলহলিয়া গ্রামের নিহত সোনা মিয়ার (৬৫) ছেলে আব্দুর রহমান (৩৮) এর নিকট একই গ্রামের আমির আলীর ছেলে নজির হোসেন (২২) রাজমেস্ত্রী কাজের পাওনা ১৫০০ টাকাকে কেন্দ্র করে ২১ সেপ্টেম্বর দুজনের কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিপক্ষ নজির হোসেন ও সুলতান মিয়াসহ তাদের আত্নীয় স্বজনরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ সংঘবদ্ধ হয়ে আব্দুর রহমানের বাড়িতে হামলা করে তাকে (আব্দুর রহমানকে) মারধর করে। একপর্যায়ে আব্দুর রহমানের পিতা সোনা মিয়া খবর পেয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি (ধান খেত) থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষ সুলতান মিয়া দাঁড়ালো দা দিয়ে বৃদ্ধ সোন মিয়ার মাথাসহ এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক উদ্ধার করে অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ দিন থাকার পর সোনা মিয়া মারা যায়। এ বিষয়ে বৃদ্ধ সুলতান মিয়াসহ ১৭ নাম উল্লেখ করে এবং ৭/৮ জনকে অজ্ঞত আসামী করে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা করে সিহত সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুল হামিদ। তিনি আরও বলেন, সোন মিয়ার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে প্রতিপক্ষ সুলতান মিয়াসহ তাদের আত্নীয় স্বজনরা তাদের বাড়ি-ঘরের, আসবাবপত্র, গরু-বাছুরসহ সকল মালামাল বিভিন্ন গ্রামে তাদের আত্নীয় স্বজনের বাড়িতে নিজেরাই সরিয়ে ফেলে। যার যথেষ্ট প্রমাণ ভিডিও ছবিসহ এলাকার মেংম্বার চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য লোকজন অবগত আছেন। কিন্তু আমার পিতা (সোনা মিয়া) হত্যাকান্ডকে ধামাচাপা দিতে এবং আমাদের পরিবারকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে প্রকৃতপক্ষে সুলতান মিয়া বাদী হয়ে উল্টো গত ২৬ অক্টোবর দ্রুত বিচার আইনে মহামান্য আদালতে আমাকেসহ ৪২ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ৭০/৮০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এবং আমাদের বিরোদ্ধে বিভিন্ন স্থানীয়, জাতীয় ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করায়, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট। বাস্তরব, খুনের ঘটনার পর আসামী পক্ষ নিজেরাই তাদের বাড়ি-ঘরের জিনিসপত্র আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

সম্প্রতি

আরও খবর