Thursday, March 5, 2026
হোমখবরআন্তর্জাতিকচাঁদে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবছে রাশিয়া

চাঁদে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবছে রাশিয়া

সম্পর্কিত সংবাদ

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মঞ্চে রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে স্নায়ুযুদ্ধ এবং বিভিন্ন সময়ে সৃষ্ট নানা সংকটে এই দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে।

এমনকি পৃথিবীর বাইরে মহাকাশেও আছে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। এমন অবস্থায় এবার চাঁদে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা ভাবছে রাশিয়া। আর সেই কাজে রাশিয়ার সঙ্গী হবে চীন। রাশিয়া নিজেই এই তথ্য সামনে এনেছে।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩৩ থেকে ২০৩৫ সালে রাশিয়া এবং চীন চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কথা বিবেচনা করছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রোসকসমসের প্রধান ইউরি বোরিসভ। আর এই পথ ধরে কোনও একদিন চাঁদে বসতি নির্মাণের পথও খুলতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইউরি বোরিসভ অতীতে রাশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়া এবং চীন যৌথভাবে একটি চন্দ্র কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে এবং ‘মহাকাশে পারমাণবিক জ্বালানির’ বিষয়ে দক্ষতার সাথে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে মস্কো।

বোরিসভ বলেছেন, ‘আজ আমরা একটি প্রকল্প গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছি। ২০৩৩-২০৩৫ সালের মধ্যে কোনও এক সময় আমরা আমাদের চীনা সহকর্মীদের নিয়ে একসাথে চাঁদের পৃষ্ঠে একটি বিদ্যুৎ ইউনিট সরবরাহ এবং ইনস্টল করার কথা বিবেচনা করছি।’

তিনি বলছেন, সৌর প্যানেলগুলো ভবিষ্যতের চন্দ্র বসতিগুলোকে শক্তি দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে না। তবে এক্ষেত্রে পারমাণবিক শক্তি সফল হতে পারে।

সম্ভাব্য পরিকল্পনা সম্পর্কে রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রোসকসমসের এই প্রধান বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুতর একটি চ্যালেঞ্জ … এটি স্বয়ংক্রিয় পন্থায় করা উচিত, মানুষের কোনও ধরনের উপস্থিতি ছাড়াই।’

বলা হচ্ছে, ‘গত দশকে শ্রমিকের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অগ্রগতি এলেও শ্রম আইনকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে বাংলাদেশকে অব্যহতভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।’

গত বছর সেপ্টেম্বরে ইউএস-বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোঅপারেশন অ্যান্ড ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্ট- টিকফা’র কাউন্সিল মিটিংয়ে ইউএসটিআর ও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত অংশীজনেরা শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে তাদের বিভিন্ন উদ্বেগ বেশ জোরালোভাবে তুলে ধরেছিল। তখন তারা বিশেষভাবে শ্রমিকদের সহিংসতা, হয়রানি, অনায্য চর্চা, তাদের সংগঠন করার ও দরকষাকষির স্বাধীনতা, তাদের জন্য স্বচ্ছ উপায়ে ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিত করার প্রসঙ্গগুলো উল্লেখ করে।

এ সময় বিশেষ করে রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শ্রমিকদের সংগঠন ও দরকষাকষি করার অধিকার দেয়া এবং ট্রেড ইউনিয়নের নিবন্ধনের শর্ত শিথিল করার জন্য বলেছিল।

এ নিয়ে ইউএসটিআর তাদের দেশের সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং বস্ত্র ও পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠান, খুচরো বিক্রেতা, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠিানসমূহের সমিতি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংস্থাসমূহের সঙ্গেও বসেছে।

টিকফার কাউন্সিল মিটিংয়ে কৃষিপণ্য, ডিজিটাল বাণিজ্য নীতি, মেধাস্বত্ত্ব সুরক্ষা ও এ সংক্রান্ত আইনের প্রয়োগসহ সার্বিকভাবেই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত সব বিষয় নিয়ে কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি

আরও খবর