শনিবার, জানুয়ারি ১০, ২০২৬
হোমখবরশোক ও স্মরনভূমিকম্প: পুরান ঢাকায় নিহত পিতা-পুত্রের লাশ বশিকপুরে গ্রামের বাড়িতে দাফন

ভূমিকম্প: পুরান ঢাকায় নিহত পিতা-পুত্রের লাশ বশিকপুরে গ্রামের বাড়িতে দাফন

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সম্পর্কিত সংবাদ

ভূমিকম্পে পুরান ঢাকায় নিহত পিতা ও পুত্রের লাশ লক্ষ্মীপুরের বশিকপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) ভোররাতে পিতা-পুত্রের মরদেহ বশিকপুরের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

২১ নভেম্বর শুক্রবার সুরিটোলার বাসা থেকে পিতা ও পুত্র মাংস কিনতে বের হলে ভূমিকম্পের কবলে পড়েন। কসাইটুলি এলাকার একটি ৮ তলা ভবনের পাশের দেয়াল ও কার্নিশ থেকে ইট ও পলেস্তার ভেঙে তাদের ওপর পড়ে।

তাৎক্ষণিক আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুর রহিম (৪৭) ও তার ছেলে মেহেরাব হোসেন রিমনকে (১২) মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকালে লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের আসসুন্নাহ মাদ্রাসা ও মসজিদ কমপ্লেক্স মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

নিহত আব্দুর রহিম (৪৮) রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। তিনি পুরান ঢাকার সুরিটোলা স্কুলের পেছনে স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। এর আগে শুক্রবার রাতেই পুরান ঢাকায় সুরিটোলা স্কুল মাঠে তাদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সদরঘাটের কয়েকজন ব্যবসায়ীরা জানায়, ‘আব্দুর রহিম ভালো মানুষ ছিলেন, তার ছেলে রিমন পুরান ঢাকার একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছিল। তাদের মৃত্যু খুবই কষ্টদায়ক।’

শনিবার সন্ধ্যায় নিহত আব্দুর রহিমের ছোট ভাই মো. নাসির গ্রাম থেকে সংবাদকে জানায়, সকাল ৯টার দিকে ভাই ও ভাতিজার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আব্দুর রহিম ও তার ছেলে রিমনের মৃত্যু আমাদের ইউনিয়নের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

তাদের চলে যাওয়া আমাদের সবাইকে শোকাহত করেছে। আমরা সব সময় তাদের পরিবারের পাশে আছি।’

সম্প্রতি

আরও খবর