শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬
হোমখবররাজনীতিহাদির আসনে এনসিপির নাসীরুদ্দীন, প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস

হাদির আসনে এনসিপির নাসীরুদ্দীন, প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সম্পর্কিত সংবাদ

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির আসনে (ঢাকা-৮) ভোটে লড়বেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সোমবার,(২৯ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকেলে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে এনসিপির এই নেতা সাংবাদিকদের বলেন, ‘মৃত্যুবরণের ইচ্ছা’ নিয়েই জামায়াতে ইসলামীর দশ দলীয় জোট থেকে ঢাকা-৮ আসনে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শরীফ ওসমান হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর দুদিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে।

এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘আমার ওপরে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পড়েছে, শহীদ ওসমান হাদির যে পথ, সে পথকে বাস্তবায়ন করা।’

তিনি বলেন ‘যেহেতু ওসমান হাদি এখানে, আমাদের ওসমান হাদি ভাইয়ের দায়িত্ব যেমন রয়েছে, সাম্য ভাইয়ের দায়িত্ব রয়েছে। সবার দায়িত্বটা অনেক বেশি এবং আমি কিন্তু ঢাকা-১৮ আসনে মোটামুটি সবকিছুই গুছিয়েছিলাম, রাজনৈতিকভাবে সবাই আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। এই আসনটা বর্তমান যে পরিস্থিতি রয়েছে, অনেক চ্যালেঞ্জিং জায়গা, সবাই মনে করেছে আমি এটা হ্যান্ডেল করতে পারবো। এজন্য সবাই আমাকে পাঠিয়েছেন। আপনাদের যদি দোয়া থাকে, সমর্থন থাকে এবং এই জোটের প্রার্থী আমি এখানে হয়েছি, আশা করি এখানে যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে আমি মোকাবিলা করতে পারবো।’

‘মৃত্যুর ইচ্ছাশক্তি’ নিয়েই ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী হয়েছেন মন্তব্য করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পরেও অনেক চ্যালেঞ্জ আমি মোকাবিলা করেছিলাম এবং এখানে ভারতীয় আধিপত্য এবং ভারতের অনেক ‘এলিমেন্ট’ এখানে ‘অ্যাকটিভ’ আছে। আমরা আশা করি যে, যেমন আমি কিন্তু শহীদ হওয়ার ‘তামান্না’ (ইচ্ছা) নিয়ে এখানে এসেছি এবং আমি আগেও বলেছি আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।’

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এখানে অনেকেই ভয় পেয়েছে, যার জন্য হলো তারা আসতে রাজি হয় নাই। আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে এখানে এসেছি। কারণ আমার কাছে বাংলাদেশটা হলো ফার্স্ট। যদি কখনো শহীদ হয়ে যাই বা মরে যাই আপনাদের কাছে দাবি থাকবে, আপনারা বাংলাদেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’

সম্প্রতি

আরও খবর