Wednesday, March 4, 2026
হোমখবরখেলাহোম ম্যাচে দু’গোলে পিছিয়ে পড়ে বার্সার ড্র চ্যাম্পিয়ন্স লীগ

হোম ম্যাচে দু’গোলে পিছিয়ে পড়ে বার্সার ড্র চ্যাম্পিয়ন্স লীগ

সম্পর্কিত সংবাদ

নিজেদের মাঠে দু’গোলে পিছিয়ে পড়েও ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ৩-৩ ড্র করেছে বার্সেলোনা। সফরকারী দলের ভাগ্য সঙ্গ দিলে তারা ম্যাচটা জিতেও ফিরতে পারত। দ্বিতীয় পর্বে ঘরের মাঠে খেলায় বাড়তি সুবিধা পাবে ইন্টারই।

গত বুধবার রাতে অলিম্পিক স্টেডিয়ামে প্রথম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে বার্সেলোনা। জুলস কুন্দে একটি বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। ব্যাক ফ্লিকে বল জালে জড়ান মার্কাস থুরাম। বার্সেলোনা ধীরে ধীরে ম্যাচে আধিপত্য বাড়াতে থাকে। খেলার বিপরীতে গিয়ে দ্বিতীয় গোল করে ইন্টার। একটি কর্নার থেকে বল বক্সে নামিয়েছিলেন ফ্রান্সেসকো এসার্বি। সেই বলে পা ছুঁইয়ে গোল করেন ডেঞ্জিল ডামফ্রিস। তিন মিনিট পরেই ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধ করেন ইয়ামাল, ডিফেন্ডারদের মাঝ থেকে কোণাকুণি শটে । ৩৮ মিনিটে সমতা ফেরান তোরেস।

দ্বিতীয়ার্ধে কর্নার থেকে হেডে আবার ইন্টারকে এগিয়ে দেন ডামফ্রিস। এ বারও দু’মিনিটে সমতা ফেরায় বার্সেলোনা। দূরপাল্লার শট মেরেছিলেন রাফিনহা। তা বারে লাগার পর ইন্টার গোলকিপার ইয়ান সমারের গায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়। ঘরোয়া লীগে টানা তিনটি ম্যাচে হারের পরেও ইন্টারের এই লড়াইয়ে খুশি কোচ ইনজাঘি। বলেন, ‘সেমিফাইনালের লড়াই কঠিনই। সমর্থকেরা জানেন আমরা কী কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। পরের মঙ্গলবারই আমাদের কাছে ফাইনাল।’

বার্সার কোচ ফ্লিক বলেছেন, ‘০-২ পিছিয়ে থাকার সময়েও আমরা ভেঙে পড়িনি। দুটো দারুণ ক্লাবের মধ্যে সেমিফাইনাল হয়েছে। ইন্টারের অভিজ্ঞতা কতটা সেটা ওরা দেখিয়ে দিয়েছে।’

ঘরোয়া আসরে টানা তিন ম্যাচে পরাজিত ইন্টারের সামনে ট্রেবল জয় এখন অনেকটাই নড়বড়ে। তা সত্ত্বেও কাতালান সফরে নিজেদের কোনোভাবেই পিছিয়ে রাখেনি ইতালিয়ান জায়ান্টরা। গত কয়েক বছরে এই পরিস্থিতিতে বার্সেলোনা অনেকবারই পিছিয়ে পড়েছিল। কিন্তু হান্সি ফ্লিকের তরুণ দলটি হার মানতে নারাজ। ২০১৫ সালের পর এখনো পর্যন্ত ইউরোপীয়ান শিরোপা না পাওয়া বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেবার জন্য একঝাঁক তরুণই যথেষ্ট।

সম্প্রতি

আরও খবর