Thursday, March 5, 2026
হোমমতামতসম্পাদকীয়জুগীর গ্রামের সড়কটি সংস্কার করুন

জুগীর গ্রামের সড়কটি সংস্কার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ

সড়কটি পাকা করা হয়েছিল মাসতিনেক আগে; কিন্তু সেটা টেকেনি। সড়কের দুই পাশ ভেঙে গেছে। আগামী বর্ষায় সেটা আর চলাচলের উপযোগী থাকবে কিনা সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। চিত্রটি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের জুগীর গ্রামের। সেখানকার ছোট্ট সড়কটি তৈরি করা হয়েছিল ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব তহবিল থেকে। এ নিয়ে গত সোমবার সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

সড়ক টেকসই না হওয়ায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। বলা হচ্ছে, মালবাহী ভারি ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কটি টেকসই হয়নি।

গ্রামীণ সড়ক শুধু স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাপনই নয়, দেশের অর্থনীতির চাকাকেও সচল রাখতে সহায়তা করে। শহরের সুবিধা দেশের গ্রামগুলোতে কিভাবে বিস্তৃত করা যায় সেই প্রয়াস চালাচ্ছে সরকার। নগরায়নের চাপ সামলাতে কাজটা করা জরুরি। যাতায়াত-যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে, বিদ্যুৎ সরবরাহ করা গেলে গ্রামে বসেও মানুষ নগরের সুবিধা পেতে পারে। যদিও সড়ক আর বিদ্যুতই নাগরিক সুবিধার শেষ কথা নয়। তবে যাতায়াত-যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে উন্নয়নের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

সমস্যা হচ্ছে, দেশের অনেক গ্রামেই এখনো টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়নি। এখনো দেশের বহু সড়ক কাঁচা। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে টেকসই পাকা রাস্তা নির্মাণের কথা বলছে সরকার। বাস্তবতা হচ্ছে এখনও কাঁচা সড়ক রয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। আর গ্রামীণ সড়কের ৬৭ শতাংশই কাঁচা।

আবার যেসব কাঁচা সড়ক পাকা করা হচ্ছে সেগুলো কতটা টেকসই হচ্ছে সেটা একটা প্রশ্ন। সড়ক টেকসই না হলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। আবার সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারে জনগণের অর্থও ব্যয় হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি নতুন সড়ক নির্মাণের পাঁচ বছরের মধ্যে সংস্কারের কথা নয়; কিন্তু দেশে গ্রামীণ সড়কগুলো নির্মাণ শেষ হতে না হতেই পিচ ও খোয়া উঠতে শুরু করে! তারপর আর চলাচলের উপযুক্ত থাকে না। আবার ভারি যানবাহন চলাচলের কারণেও সড়ক টেকসই হয় না।

জুগীর গ্রামের উক্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছেÑ এমনটাই আমরা দেখতে চাই। সড়ক সংস্কারের পর নিয়মিত মনিটর করতে হবে। সেখানে ভারি যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

সম্প্রতি

আরও খবর