বর্তমান সমাজে নারীরা ঘরের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তবে এই দ্বৈত দায়িত্বের সাথে যুক্ত হয়েছে এক “অদৃশ্য মানসিক বোঝা”-যা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু প্রতিনিয়ত অনুভূত হয়। অফিসের চাপ, ঘরের কাজ, সন্তান ও পরিবারের যত্ন-সবকিছু একসাথে সামলাতে গিয়ে নারীরা মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন।
এই মানসিক শ্রমের কোনো স্বীকৃতি বা বিশ্রাম নেই। সমাজ এখনো ধরে নেয়, ঘরের কাজ নারীর দায়িত্ব, ফলে অনেক সময় পুরুষরা সহযোগিতায় পিছিয়ে থাকে। অথচ নারীও পুরুষের মতো বিশ্রাম, সহানুভূতি ও মানসিক শান্তি পাওয়ার অধিকারী।
এই পরিস্থিতি বদলাতে হলে পরিবারে দায়িত্ব ভাগাভাগি করতে হবে, কর্মক্ষেত্রে সহানুভূতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে হবে, এবং সমাজকে নারীর মানসিক শ্রমের মূল্য দিতে হবে। কর্মজীবী নারীর হাসি শুধু তার নিজের নয়, তা গোটা পরিবারের সুখ ও সমাজের অগ্রগতির প্রতীক।
কাজী মাধুর্য রহমান
লোকপ্রশাসন বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়



