যারা মা মাটির টানে গ্রামে ঈদ করতে যাবেন, তারা শহরের শপিংমলগুলো থেকে আগেভাগেই কিনে নিচ্ছেন পরিবারের প্রয়োজনীয় পোশাক, জুতাসহ অনান্য জিনিসপত্র। ফলে রাস্তা-ঘাট, মার্কেট এখন লোকে লোকারণ্য হয়ে আছে। এদিকে এই সুযোগে প্রতিবছরই দেখা যায় অনেক অসাধু লোক চুরি, ডাকাতি করে থাকে।
ঈদ এলেই এসব মৌসুমি অপরাধী মলমপার্টি, অজ্ঞানপার্টি, চুরি-ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বাড়ে। অনেকে শহর ছেড়ে গ্রামে যাওয়ায় ফাঁকা বাসাবাড়িতেও চুরির ঘটনা ঘটে। এজন্য ঈদে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট ও শপিংমলগুলোয় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য পুলিশসহ অনান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহল অব্যহত রাখতে হবে।
বিশেষ করে গোয়েন্দা পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের নজরদারি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি মহাসড়কগুলোয় ডাকাতি-চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের আলাদা টিম বসাতে হবে। যাতে ঈদগামী মানুষের বাড়ি ফেরা নিরাপদ হয়।
রিয়াদ হোসেন



