রবিবার, জানুয়ারি ১১, ২০২৬
হোমমতামতপাঠকের চিঠিশিক্ষার্থীদের হাফভাড়া ন্যায্যতার দাবি

শিক্ষার্থীদের হাফভাড়া ন্যায্যতার দাবি

সম্পর্কিত সংবাদ

শহরের রাস্তায় প্রায়ই দেখা যায়, বাসচালক ও হেলপাররা শিক্ষার্থীদের গাড়িতে তুলতে চান না। কারণ হিসেবে তারা বলেন, শিক্ষার্থীরা হাফভাড়া দেয় বলে তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়। কেউ কেউ আবার শর্ত দেন-শিক্ষার্থীদের পূর্ণ ভাড়া দিতে হবে, না হলে গাড়িতে উঠতে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন নারী শিক্ষার্থীরা। কোথাও কোথাও দেখা যায়, টিকিট কেটে বাসে উঠলেও সামনের আসন খালি থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের বসতে দেওয়া হয় না। প্রশ্ন জাগে-শিক্ষার্থীরা কি সমাজের কাছে বোঝা হয়ে গেল?

একসময় সবাই বলত-‘ছাত্রই দেশের ভবিষ্যৎ’। কিন্তু আজ সেই ছাত্ররাই যেন অনেকের কাছে ঝামেলার প্রতীক। বাসচালক ও পরিবহন শ্রমিকদেরও বাস্তব সমস্যা রয়েছেÑজ্বালানির দাম বৃদ্ধি, ভাড়া নির্ধারণের অসঙ্গতি ও নীতিমালা প্রয়োগের ঘাটতি। কিছু অসাধু চালক বা মালিকের খামখেয়ালিপনার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রতি এমন বৈষম্যমূলক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। একটি সভ্য ও উন্নত সমাজে শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন মানবিক কর্তব্য। অর্ধভাড়া রাখা কোনো দয়া নয়, এটি একটি ন্যায্য অধিকার-যা শিক্ষার প্রতি সহায়তা এবং ভবিষ্যতের প্রতি বিনিয়োগ। শিক্ষার্থীদের সম্মান জানানো মানেই দেশের অগ্রগতিকে সম্মান জানানো। তাই পরিবহন খাতে এই মানবিক ও ন্যায্য নীতির বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি জরুরি।

মাসুমা আক্তার তিশা

সম্প্রতি

আরও খবর